২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানোর একটি ভিডিওকে ঘিরে ভারতে ধর্মীয় অভিব্যক্তি ও ধর্মনিরপেক্ষ নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি কাজের অভিজ্ঞতা এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সিয়াল কোচিং একাডেমির অবদানের কথা বলেন। ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘জাজাকাল্লাহ’ ব্যবহারের অভিযোগে হিন্দু লিগ্যাল ফান্ড পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিবকে লিখিত অভিযোগ দেয়। পরদিন তাঁকে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট পদে বদলি করা হয়।
উৎসে বলা হয়েছে, অভিযোগ ও বদলির খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে, কিন্তু ধর্মীয় শব্দ ব্যবহারের কারণেই বদলি হয়েছে কি না তা রাজ্য সরকার স্পষ্ট করেনি। নিবন্ধটি ঘটনাটিকে সংখ্যালঘু ধর্মীয় পরিচয়ের সাধারণ প্রকাশ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সংস্কৃতির প্রতীককে দেশপ্রেমের সঙ্গে যুক্ত করার প্রশ্নের প্রতীক হিসেবে দেখেছে।
ভারতের সংবিধান দেশকে সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করে এবং সমতা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ বহাল রাখে। নিবন্ধে নাগরিকত্ব আইন, উচ্ছেদ, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও বাংলাভাষী মুসলিমদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হলেও সরকার ও বিজেপি মুসলিমবিরোধী বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।