বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, তারা গুগলকে কোনো রাজনৈতিক সমালোচনামূলক বা সংবাদভিত্তিক কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ করেনি। ২৮ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে কেবল মিথ্যা তথ্য, প্রোপাগান্ডা ও মানহানিকর কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিটিআরসি বা এনটিএমসি কোনো সংস্থারই সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট সরানোর ক্ষমতা নেই, তাই এসব অনুরোধ সরাসরি প্ল্যাটফর্মকে জানাতে হয়। গুগলের ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ২৭৯টি অনুরোধ পাঠানো হয়, যা আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের তুলনায় অনেক কম। সরকার জানায়, এসব অনুরোধ মূলত মিসইনফরমেশন ও প্রোপাগান্ডা মোকাবিলার জন্য করা হয়েছে। এছাড়া, ফ্রিডম হাউসের ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫’ রিপোর্টে বাংলাদেশ ইন্টারনেট স্বাধীনতায় সর্বোচ্চ অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ফল বলে দাবি করা হয়।