আমার দেশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও রামপুরা ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পাঁচটি প্রধান হটস্পটে পরিণত হয়। সরকারের জুলাই শহীদের তালিকায় থাকা ৮৪৩ জনের মধ্যে এসব এলাকায় ৩২০ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। নিহতদের মধ্যে যাত্রাবাড়ীতে ১১৫, উত্তরায় ৬৯, মিরপুরে ৬২, মোহাম্মদপুরে ৪২ এবং রামপুরায় ৩২ জনের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দিনমজুররা অংশ নেন। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র ক্যাডারদের গুলিবর্ষণ ও হামলার অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা সড়ক ছাড়েননি। মোহাম্মদপুর ও মিরপুরে র্যাবের হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে।
পুলিশ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ঢাকায় ৭৮৯টি মামলা হয়েছে; এর ৪৭৯টি হত্যা মামলা। ডিএমপি ৫৯৭টি মামলা তদন্ত করছে এবং পিবিআই ও সিআইডি ১৫৫টি মামলা তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত আট মামলায় অভিযোগপত্র এবং ২৭ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর বলেছে, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডিজিটাল আলামত যাচাই করে নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।