ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান যদি স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধের নিশ্চয়তা না দেয়, তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার ছেলে মোজতাবা খামেনিকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, পেন্টাগন সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একাধিক কৌশলগত প্রস্তাব পেশ করেছে, যার মধ্যে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং সব বিকল্প খোলা রেখেছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান যদি স্থায়ীভাবে অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তবে সীমিত মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হতে পারে, যদিও এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইসরাইল মনে করছে সংঘাতের সম্ভাবনাই বেশি। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ ঘটেছে, যদিও ট্রাম্প এখনো সামরিক পদক্ষেপের অনুমোদন দেননি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, আলোচনায় উভয় পক্ষ কিছু মৌলিক নীতিতে একমত হয়েছে এবং তেহরান শিগগিরই লিখিত প্রস্তাব দেবে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সমঝোতার পথে এখনো উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়ে গেছে।