সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হলে কিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এ কারণে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নেই বলে তারা মনে করেন। মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মজুত, আমদানি ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সভায় এসব মত উঠে আসে। সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক।
ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, আটা ও ময়দার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে চাহিদা বাড়লেও দাম বাড়বে না। উৎপাদনমুখী শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং আমদানির এলসি-সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত দূর করার ওপর তারা গুরুত্ব দেন। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন মিল-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আমদানিকারকেরা এলসি খোলায় বাধার মুখে পড়ছেন বলেও সভায় জানানো হয়।
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় মূল্য তদারকি জোরদার, মধ্যস্বত্বভোগী কমানো ও সরবরাহব্যবস্থা স্বচ্ছ করার দাবি ওঠে। টিসিবি ফ্যামিলি কার্ডে প্রায় এক কোটি পরিবারকে স্বল্পমূল্যে পণ্য দিচ্ছে।