আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসিম আল-আরাজি রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ উদ্যোগের কথা জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে তৈরি হওয়া ‘আস্থার সংকট’ মোকাবিলাই এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য।
গত ২৭ জুলাই সৌদি আরব ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করার পর এই প্রস্তাব আসে। রিয়াদ বলেছিল, ড্রোনগুলো তাদের তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল এবং এ হামলার জন্য ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছিল। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী। প্রস্তাবটি নিয়ে সৌদি আরব বা ইরানের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরাজি ইরাকে অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার চ্যালেঞ্জের কথাও বলেন। ৩ জুন এ বিষয়ে সেনাবাহিনী একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়। তাঁর মতে, ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের নির্ধারিত প্রত্যাহার অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনার ধীরগতির প্রক্রিয়া শুরু করবে। তিনি নিরস্ত্রীকরণে রাজনৈতিক ঐকমত্য এবং পিএমএফ কার্যক্রম থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর পৃথক থাকার আহ্বান জানান।