অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আমার দেশকে দেওয়া আলাপচারিতায় জুলাইয়ের আন্দোলন কাভারে এএফপির ভূমিকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তখন এএফপির বাংলাদেশ ব্যুরো চিফ হিসেবে দায়িত্বে থাকা আলম বলেন, ৫ জুনের হাইকোর্টের রায়ের পর থেকেই তারা নতুন করে আন্দোলন গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখেছিলেন। তিনি ৭ বা ৮ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক কর্মসূচি এবং পরে দেশজুড়ে বিক্ষোভের খবর কাভার করার কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাইয়ের পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কভারেজ বাড়ে এবং ১৮ জুলাই ঢাকায় বড় পরিসরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আলম বলেন, ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ডসহ ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেলে এএফপির পুরোনো ভিস্যাট সংযোগ ব্যবহার করে ১৯ জুলাই থেকে ভিডিও ও ছবি পাঠানো সম্ভব হয়। তিনি জানান, ১৯ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন সাংবাদিক, ফ্রিল্যান্সার ও কর্মী তাদের পাঁচটি কম্পিউটারের ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। রয়টার্স, নিউ ইয়র্ক টাইমস, ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, গার্ডিয়ান, আলজাজিরা, নেত্র নিউজ ও এপিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি বলেন। মোহাম্মদ আলী আরাফাতের হুমকির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।