বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সব ধরনের প্রবেশ ও সম্পদ আহরণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, জলজ প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতেই এই তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ সময়ে জেলে, মৌয়াল, বাওয়ালি, কাঁকড়া সংগ্রহকারী ও পর্যটক কেউই বনাঞ্চলে প্রবেশ করতে পারবেন না। নতুন পাস ইস্যু বন্ধ করা হয়েছে এবং যারা ইতোমধ্যে বনে ছিলেন তাদের বের হয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বন কর্মকর্তারা জানান, এই সময় বনাঞ্চলে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকলে বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন হয় এবং বনাঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা পায়। তবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি, কয়রা ও মোংলা এলাকার হাজারো বনজীবী পরিবার জীবিকার সংকটে পড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নজরদারি চালাবে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন পুনরায় সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।