বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি নিয়ে শ্রম অসন্তোষের কারণে ৩১টি চা বাগানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মঙ্গলবার বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন। ২০২৫ সালের ১৮ মে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে কিছু মালিক বাগান ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং মজুরি বকেয়া থাকায় শ্রমিক অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে রুগ্ন চা বাগান চিহ্নিত করার কোনো নীতিমালা নেই, তবে বাংলাদেশ চা বোর্ড শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও বাগান পুনরায় চালু করতে পদক্ষেপ নিয়েছে। বুরজান ও ফুলতলা চা বাগান পুনরায় চালু করতে দুটি কমিটি গঠন করা হয় এবং শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। বর্তমানে উভয় বাগানের কার্যক্রম স্বাভাবিক।
তিনি আরও বলেন, ন্যাশনাল টি কোম্পানির ১২টি বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধে অবিক্রীত চা রপ্তানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকার শ্রমিকদের রেশন, চিকিৎসা, বাসস্থান ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করছে এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করছে।