ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা চীনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। বেইজিংয়ের হাতে কয়েক মাসের জন্য পর্যাপ্ত তেলের মজুত থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখন তারা চিন্তিত। প্রয়োজনে রাশিয়ার সহায়তা নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই ইস্যুটি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন বেইজিংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির বৈঠকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সম্পত্তি খাতের সংকট ও স্থানীয় ঋণের চাপ নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইরানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলেও তা মূলত লেনদেনভিত্তিক। ২০২১ সালে দুই দেশ ২৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করলেও প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের অল্প অংশই বাস্তবায়িত হয়েছে। তবু ইরান থেকে চীনে তেলের প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিকভাবে মিত্রদের সহায়তা করার সক্ষমতা চীনের সীমিত, যা ভেনেজুয়েলা ও ইরান ইস্যুতেও স্পষ্ট হয়েছে।
চীন ইতোমধ্যে হামলার নিন্দা জানিয়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন সফরকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সফর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বোঝার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে বেইজিং।