অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় বর্ণনা করেছেন, কীভাবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবর সংগ্রহ ও এএফপির মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন বেলা ১১টার দিকে শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার দিক থেকে গণভবন অভিমুখে জনতার অগ্রযাত্রার খবর আসছিল। কারওয়ান বাজারে তাঁর অফিসের বাইরে শহরকে থমথমে ও প্রায় জনশূন্য মনে হয়েছিল।
দুপুর সাড়ে ১২টার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সূত্র তাঁকে জানান, হাসিনা উড়ে ভারতে চলে গেছেন। পরে ওই সূত্র বলেন, এসএসএফ সদস্যরা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে নিয়ে যান; উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে বিপুল জনসমাগমের আশঙ্কা ছিল। পরিকল্পিত বিমানবন্দর পথ নিরাপদ না থাকায়, তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত হয়।
আলম জানান, এএফপির দক্ষিণ এশিয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত পিটার মার্টেল প্রথমে একক সূত্রে সংবাদ প্রকাশে আপত্তি করেন এবং অতিরিক্ত যাচাইয়ের পরামর্শ দেন। আরও দুই সূত্রের সঙ্গে কথা বলে তিনি তথ্য নিশ্চিত করেন। এরপর দুপুর ১টার পর এএফপি ব্রেকিং নিউজ দেয় এবং বিভিন্ন দেশি-বিদেশি গ্রাহক তা উদ্ধৃত করে প্রচার করে। দুপুর ২টার দিকে বিটিভিতে সেনাপ্রধানের ভাষণের ঘোষণা এলে তাঁর আশঙ্কা কমে যায়।