যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে ঘিরে ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে ছয় দিনব্যাপী নজিরবিহীন আয়োজন চলছে। তেহরান আশা করছে, এক থেকে দুই কোটি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে। এই সময়ে খামেনির জীবনের নানা শিক্ষণীয় দিক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
খামেনির আত্মজীবনী ‘সেল নম্বর ১৪’-এ তিনি তাঁর স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহর সাহসিকতা ও ধৈর্যের প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, সাভাকের হামলা ও তাঁর বারবার গ্রেপ্তারের সময় স্ত্রী কখনো ভয় বা দুর্বলতার পরিচয় দেননি। কারাবাসের সময়ও তিনি দৃঢ় মনোবল বজায় রেখেছিলেন এবং বিপ্লবের আগে ও পরে সরল জীবনযাপন অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি কখনো বিলাসিতা চাননি, বরং অলঙ্কার বিক্রি করে দান করেছেন।
এই আত্মজীবনীতে প্রকাশিত স্মৃতিচারণ ইরানে চলমান শোকানুষ্ঠানের মধ্যে খামেনির সরলতা, ধৈর্য ও পারিবারিক মূল্যবোধকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে।