১৬ মার্চ ঘোষিত ১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে মঙ্গলবার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও দেশীয় সক্ষমতা গঠনের লক্ষ্যেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অগ্রাধিকারে ছিল উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের শক্তিশালী পাইপলাইন।
প্রতিবেদনে ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, নিউ মুরিং টার্মিনালের ১৫ বছরের ইজারা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা এবং চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের কাজের অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে। মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প প্রস্তুতি এবং কুতুবজোমে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি ইউনিটের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, মোট বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন ডলার; এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে গুয়াংজু কার্যালয় চালুর লক্ষ্য রয়েছে। বিদেশি ইকুইটি আনয়নে ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনার উদ্যোগ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ কার্যকর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এডিবি ও সানেমের সঙ্গে দেশব্যাপী বিনিয়োগ মানচিত্রায়নও চলছে।