পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কাবিখা ও টেস্ট রিলিফ প্রকল্পে অস্তিত্বহীন প্রকল্প এবং নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। মঙ্গলবার দুদকের একটি দল দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব অনিয়মের তথ্য পায়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের গাড়ি ধোয়ার র্যাম্পের সামনে মাটি ভরাট না করে নামমাত্র ইট ফেলে ২ লাখ ৩৭৪ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের ফুলবাগান ও উপজেলা পরিষদের মাঠে মাটি ভরাটের প্রকল্পের বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। শ্রীরামপুর ইউনিয়নে নলকূপ বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরও অস্তিত্ব মেলেনি। রাস্তা মেরামতের প্রকল্পে কাজ হয়নি বলে জানায় দুদক।
লেবুখালী ইউনিয়নে ৩ লাখ টাকার রাস্তা সংস্কার প্রকল্পে ১০ বছরের পুরোনো কাজ দেখানো হয়েছে। পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা কিছু জানেন না বলে জানান। দুদক বলেছে, তদন্ত শেষে দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।