ইরানকে ঘিরে দীর্ঘায়িত সংঘাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্রমবর্ধমান কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, টানা ১৩ রাত বিমান হামলার পর কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরির জন্য তিন রাত হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে সামরিক অভিযান আবার জোরদার করার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।
ইরান বলেছে, ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে তেহরান অবস্থান বদলানোর ইঙ্গিত দেয়নি। প্রায় পাঁচ মাস আগে শুরু হওয়া সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও তা দীর্ঘায়িত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক চাপ দিয়ে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করার মার্কিন কৌশল প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।
স্থলবাহিনী মোতায়েন, অবকাঠামোতে হামলা এবং জাহাজ ও বন্দরে কঠোর অবরোধের মতো বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপে প্রাণহানি, বেসামরিক দুর্ভোগ ও জ্বালানি বাজারে সংকটের ঝুঁকি রয়েছে। এক জরিপে ৭৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বলেছেন, যুদ্ধটি প্রশাসনের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কঠিন হয়েছে।