নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক রদবদল। অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন হয়েছে, যার সূচনা হয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের পদত্যাগের মাধ্যমে। পরিবর্তনের এই ধারা উপ-উপাচার্য, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও বিস্তৃত হয়েছে, ফলে প্রশাসনে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, এই পুনর্বিন্যাস কেবল ব্যক্তি পরিবর্তন নয়, বরং নতুন ক্ষমতার কাঠামো তৈরির অংশ। এতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ড. নিয়াজ আহমেদের পদত্যাগের পর অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. সায়মা হক বিদিশাকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয় এবং প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ ও সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন মোনামী পদত্যাগ করেন।
শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এসব নিয়োগ রাজনৈতিক মেরূকরণ বাড়াতে পারে। তবে নতুন উপ-উপাচার্য ও উপাচার্য দাবি করেছেন, পদত্যাগগুলো স্বেচ্ছায় হয়েছে এবং নিয়োগে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।