আমার দেশ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন জেনজিদের আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয় এবং একাধিক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও পরীক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তোলে।
প্রতিবেদনটি বলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমে দাবিগুলোতে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেননি। শুক্রবার রাতে ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে তরুণদের গঠনমূলক পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ জানালেও আন্দোলনকারীরা তা ব্যঙ্গ করে প্রচার চালায়। পরদিন যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ তীব্র হয়। সামাজিক মাধ্যমে মিম ও ভিডিওর প্রচারণা সরকারের প্রচলিত প্রচারণাব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অশুতোষ বর্ষ্ণির মতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়েছে। কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থীদের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রতিবেদনে বেকারত্ব, কম কর্মসংস্থান, স্থবির মজুরি ও শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যাকেও তরুণদের ক্ষোভের কারণ বলা হয়েছে। আন্দোলনকারীরা এটিকে শুরু হিসেবে দেখছেন এবং তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্য জানিয়েছেন।