আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বুধবার নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী মুন্নী আক্তার বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ২০১০ সালের ১৫ মার্চ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার বামতার মোড় থেকে সাদা পোশাকে ৫-৬ জন লোক তার স্বামীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় এবং পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে বাগেরহাটের শরণখোলা বলেশ্বর নদী থেকে তার স্বামীর লাশ উদ্ধার হয়। মুন্নী আক্তার বলেন, র্যাবের গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান তার স্বামীকে গুম করে হত্যা করেছেন।
তিনি জানান, তার স্বামী বিডিআর সদর দপ্তরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের সময় হত্যাকাণ্ড দেখে পালিয়ে যান। পরে তিনি কোটালীপাড়ার মধুমতি ক্লিনিকে নুরুল আমীন মুন্সী নামে চাকরি নেন। স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ জানায়, তার স্বামীর লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে, যা ডিএনএ পরীক্ষার পর পুনরায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মুন্নী আক্তার ট্রাইব্যুনালে বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড স্বচক্ষে দেখার কারণেই তার স্বামীকে গুম ও হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি বিচার দাবি করেন।