আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩.১ শতাংশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যুদ্ধের ফলে ইরানে সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীর বন্ধ হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তেল, গ্যাস ও সারসহ গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি স্থবির হয়ে পড়েছে। আইএমএফ সতর্ক করেছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২.৫ শতাংশে নেমে যেতে পারে এবং দরিদ্র দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তবে এই অস্থিরতার মধ্যেও কিছু খাত লাভবান হচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিটের ব্যাংকগুলো যেমন মরগান স্ট্যানলি, গোল্ডম্যান স্যাকস ও জেপি মরগান চেজ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য মুনাফা দেখিয়েছে। ক্রিপ্টো-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম পলিমার্কেটও যুদ্ধকালীন অনিশ্চয়তা থেকে বিপুল আয় করছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ বেড়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাত স্থিতিশীল রয়েছে, যেখানে তাইওয়ানের চিপ রপ্তানি ও টিএসএমসি-র মুনাফা রেকর্ড ছুঁয়েছে।
যুদ্ধ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বৈশ্বিক পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করেছে। এশিয়ার দেশগুলো বিকল্প জ্বালানি উৎসে বিনিয়োগ ও করছাড়সহ নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার ফলে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন সূচক বছরে ৭০.৯২ শতাংশ বেড়েছে।