সামিট, সিডিনেট ও মেটাকোর পৃথক লাইসেন্স পাওয়ার পর ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অবৈধভাবে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে বলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন তাদের বেসরকারিভাবে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের লাইসেন্স দিয়েছিল। লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বিকল্প সংযোগ নিশ্চিত করা এবং পাইকারি ব্যান্ডউইথ বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো। কনসোর্টিয়াম গঠনের অনুমতি বিষয়ে বিটিআরসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
২৩ আগস্টের ব্যাখ্যা তলবের জবাবে বিটিআরসি সুস্পষ্ট ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, তিন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স আলাদা এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া তাদের কনসোর্টিয়াম গঠন নিয়মবহির্ভূত। টেলিযোগাযোগ খাতের শ্বেতপত্র প্রণয়ন টাস্কফোর্সও উল্লেখ করেছে, পৃথক লাইসেন্সধারীরা কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করছে।
পরিকল্পনায় কক্সবাজারে অভিন্ন ব্রাঞ্চ ক্যাবল ও একক ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন রয়েছে, ফলে ত্রুটি হলে তিন প্রতিষ্ঠানের সেবাই একসঙ্গে ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাঞ্চ ক্যাবলের বড় অংশ মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় থাকায় ডেটা সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশ্লেষকেরা অনুমোদন, আইনি ভিত্তি ও লাইসেন্সের শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য নথির ভিত্তিতে যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।