বগুড়ার শেরপুরে কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে টিএসপি ও ডিএপি সার বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ করেছেন। ২২ আগস্ট বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগ পাওয়া যায়। তাঁদের দাবি, সরকারি দামে সার চাইলে দোকান থেকে ‘সার শেষ’ বলা হয়, কিন্তু বেশি দাম দিতে রাজি হলে কোথাও কোথাও একই সার পাওয়া যায়। চাষাবাদের মৌসুমে প্রয়োজনমতো সার না পাওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন।
কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার বস্তাপ্রতি ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১ হাজার ৫০ টাকা নির্ধারিত দামের ডিএপি সারও ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দোকানের মেমো দেওয়া হয় না বলেও তাঁরা জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে; তবে ডিলাররা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এক ডিলার বাজারে সংকট ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগ নাকচ করলেও ডিএপি সারের কিছুটা সংকটের কথা স্বীকার করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, উপজেলায় পর্যাপ্ত সার আছে এবং অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমুও বলেন, সরকারি দামের বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই; এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।