পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের চাড়াখালী গ্রামের এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার নিজের বিয়ে ঠেকাতে শনিবার থানায় আশ্রয় নেন। তিনি জানান, পরিবার তাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাইছে, কিন্তু কয়েকদিন পরেই তার এসএসসি পরীক্ষা। তাই তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান এবং বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে পুলিশের সাহায্য চান। তহমিনা জিয়ানগর সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার বাবা আলম হাওলাদার একজন কৃষক এবং আর্থিক সংকটের কারণে মেয়েকে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন। সহপাঠীরা তহমিনাকে মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছে, তারা চায় সে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। তহমিনার বাবা দাবি করেন, মেয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস এবং ভালো প্রস্তাব পাওয়ায় তারা রাজি হয়েছেন।
জিয়ানগর থানার এসআই সাইদুর রহমান জানান, মেয়েটিকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করা হয়েছে এবং পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে যে তারা বিয়ে দেবে না।