ইরান যুদ্ধের সময়ে বিপুল তেল মজুত, পরিশোধন সক্ষমতা এবং বিকল্প জ্বালানিতে বিনিয়োগকে ভূরাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছে চীন। সংঘাত শুরুর পর বেইজিং জেট ফুয়েল, গ্যাস ও ডিজেলসহ পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব বাড়ানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে দেশটি।
শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের প্রথম ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চীনের তেল আমদানি ২৩ শতাংশ কমে। বড় মজুত, পরিশোধন সক্ষমতা এবং বিভিন্ন জ্বালানি উৎস ব্যবহার করে অর্থনীতি চালানোর সামর্থ্য এ সিদ্ধান্তে সহায়তা করেছে। বিপরীতে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর বেশি নির্ভরশীল দেশগুলো বেশি দামে তেল কিনতে বা ব্যবহার কমাতে বাধ্য হয়েছে।
ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে সীমিত করলেও অপরিশোধিত তেলের দাম আশঙ্কামতো বাড়েনি। গোল্ডম্যান স্যাকসের ডান স্ট্রুইভেন বলেন, আগস্টের শেষ নাগাদ দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০ ডলার কম ছিল। সীমিত রপ্তানির বড় অংশ ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে গেছে, তবে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন সরবরাহ পায়নি।