বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহদী হাসান নয়াদিল্লিতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন। তিনি পর্তুগালের ভিসা নিতে ভারতে গিয়েছিলেন এবং কনট প্লেসের একটি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে কেউ তাকে চিনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এরপর ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তার ওপর নজরদারি শুরু করেন। বিবিসি বাংলার দুই সূত্র জানায়, তাকে কোথাও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়নি, তবে জানিয়ে দেওয়া হয় যে ভারতবিরোধী বক্তব্য বা হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করা ব্যক্তিকে ভারতে থাকতে দেওয়া হবে না।
সূত্রগুলো জানায়, ওই রাতেই মাহদীর ভারতীয় ভিসা বাতিল করা হয় এবং তাকে দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি পরদিন দুপুরে ইন্ডিগো বিমানে ঢাকায় ফিরে আসেন। ঢাকায় পৌঁছে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ভারতে তাকে হয়রানি করা হয়েছে এবং তিনি জীবন ঝুঁকিতে ছিলেন। ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত গুজব তিনি অস্বীকার করেন এবং জানান, দেশে ফেরার পরও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
বিবিসি বাংলা জানায়, মাহদীর সঙ্গে পরবর্তীতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।