হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর বিশ্ব তেলের বাজারে চাপ সীমিত রাখতে চীনের কৌশলগত তেল মজুত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বড় ভূমিকা রাখছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রণালি বন্ধের ছয় মাস পরও বৈশ্বিক তেল সরবরাহের আনুমানিক ১০ থেকে ১৪ শতাংশ বাজারে পৌঁছাতে পারছে না, তবু আগের কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মতো ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়নি।
যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন হতো, যা বিশ্বের দৈনিক তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বর্তমান সংকটে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। বছরের শুরুতে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৬০ ডলার থাকা ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বর্তমানে প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।
১৯৭৩ সালের আরব তেল অবরোধে সরবরাহ মাত্র ৭ শতাংশ ব্যাহত হলেও দাম প্রায় চার গুণ বেড়েছিল। ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব এবং ১৯৯০ সালে কুয়েত আক্রমণের সময় ৬ থেকে ৭ শতাংশ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়ে তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ে। চীন বড় পরিমাণে নতুন অপরিশোধিত তেল না কিনে নিজেদের মজুত ব্যবহার করায় বাজারে অতিরিক্ত চাহিদার চাপ তৈরি হচ্ছে না।