ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মরণে তেহরানে বিশাল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে এক বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। অনুষ্ঠানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা স্মরণস্থলে হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে শ্রদ্ধা জানান। কাচে ঘেরা কফিন পাহারা দিচ্ছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর। লাল পতাকা ও ‘আমাদের অবশ্যই জেগে উঠতে হবে’ স্লোগান অনুষ্ঠানের মূল প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাঁজোয়া যান, স্নাইপার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস তল্লাশি চলছে। সোমবার পর্যন্ত দেশ কার্যত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং প্রায় এক কোটি মানুষ অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী সোমবার জানাজার মিছিল শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, রাশিয়া, তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আইআরজিসি প্রধান শোককে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার আহ্বান জানান, আর সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বিবৃতি দেয়।