ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদ লুট করাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। বুধবার ইরাকের প্রেসিডেন্ট নাজার আল-আমিদির সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতির একমাত্র চালিকাশক্তি হলো আঞ্চলিক সম্পদ লুণ্ঠনের আকাঙ্ক্ষা।
গালিবাফের মতে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না; বরং অস্থিতিশীলতা বাড়ায়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অক্ষম হওয়ার পাশাপাশি অঞ্চলে শান্তি বিনষ্টের জন্যও সক্রিয়ভাবে দায়ী।
ইরান ও ইরাকের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরে তিনি শালামচে-বসরা রেলপথ নির্মাণ, আরভান্দ রুদ নৌপথ খনন ও সীমান্ত বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতির অবসান চেয়ে গালিবাফ বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগেই স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।