সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। নতুন কাঠামো নিয়ে গঠিত সচিব কমিটি এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই নতুন পে স্কেল কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে, যদিও অনুমোদনের আগে আরও পর্যালোচনা ও আলোচনা দরকার।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন কাঠামো দুই ধাপে কার্যকর হবে। প্রথমে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হবে; পরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা সমন্বয় করা হতে পারে। সচিব কমিটি সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মূল বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে, যেখানে পে কমিশন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিল। নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানোর সুপারিশও রয়েছে।
প্রস্তাবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে প্রায় ১৭ থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা রয়েছে; মন্ত্রিসভার অনুমোদনে অঙ্ক বদলাতে পারে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন-গ্র্যাচুইটিসহ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোও সিদ্ধান্তে সমন্বয় করা হবে।