বাংলাদেশে মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনা না করে কৃষি মন্ত্রণালয় পুরোনো কাঠামোয় সার বরাদ্দ দিচ্ছে বলে কৃষক ও সার খাতের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের মতে, একই জমিতে একাধিক ফসল, সবজি আবাদ, মাছ চাষসহ কৃষিকাজ বাড়লেও অনেক এলাকায় বরাদ্দ অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সংকট ও বিক্ষোভ দেখা দিলেও মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, ফসলের ধরন ও চাহিদা জরিপ করে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগানে বছরে তিনবার সার ব্যবহারের কথা এবং জয়পুরহাটে আলু, হ্যাচারি, পোলট্রি ও ফিশারিতে বাড়তি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বরাদ্দ পর্যালোচনায় রাজশাহী, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ইউরিয়ার বরাদ্দ অপরিবর্তিত দেখা গেছে। গাজীপুরে বরাদ্দ ২১ হাজার টন থেকে কমে ১৮ হাজার ২০৩ টন হয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সার না পেয়ে কৃষকেরা ডিলারের গুদাম থেকে ১০০ থেকে ১৫০ বস্তা ইউরিয়া নিয়ে যান বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও প্রশাসন একে লুটপাট বলতে অস্বীকার করেছে। ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রণালয় সার মজুতের তথ্য দেয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৫.৮৭ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে ৩৬.৭৬ লাখ টন সার আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।