যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। উভয় দেশই তাকে বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখছে, যখন তারা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে বিবেচনা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি হলে তিনি তা স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তান সফর করতে পারেন এবং মুনির ও পাকিস্তানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।
ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, মুনির তেহরানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় গালিবাফ ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে তিনি অংশ নেন, যা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হলেও আলোচনার পথ খোলা রাখে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, সৌদি আরব ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এই মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে মুনিরের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সেনাবাহিনীতে তার শক্তিশালী অবস্থান তাকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রভাবশালী করে তুলেছে। ইসলামাবাদ আবারও নতুন আলোচনার আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।