ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় কার্যক্রম বন্ধের আশঙ্কায় সরকারকে সতর্ক করেছে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স। আন্তর্জাতিক বাজারে জেট ফুয়েলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে জ্বালানি মাশুল সংশোধন করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ব্যবহারে বিধিনিষেধের কারণে ফ্লাইটগুলোকে দীর্ঘ পথে ঘুরিয়ে নিতে হচ্ছে, ফলে ব্যয় ও চাপ বাড়ছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি প্রবাহ ব্যাহত, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি এবং রুপির মান দুর্বল হয়ে ভারতের অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ভারতের ওষুধ শিল্পও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ বিঘ্নে চাপে পড়েছে। চীন থেকে আমদানি করা কাঁচামালের পরিবহন ও বীমা খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় দ্বিগুণ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল, গ্যাস ও এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সংকট গভীর হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে নয়ডায় শ্রমিক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী ভারতীয়দের রেমিট্যান্সও ঝুঁকিতে পড়েছে।
ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংকটে ভারতে ২৫ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যে পড়তে পারে। বিরোধীদল মোদি সরকারের পররাষ্ট্রনীতিকে দায়ী করলেও সাম্প্রতিক রাজ্য নির্বাচনে বিজেপি শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।