পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদে বলেন, সদস্য দেশগুলো আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। ঢাকা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ আসেনি এবং সিদ্ধান্তটি চুক্তির স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। লেখাটি সম্ভাব্য সম্প্রসারিত এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবদান ও প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা করেছে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশ এবং বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫,৫০০ থেকে ৭,০০০ ইউনিফর্মধারী সদস্য মোতায়েন করেছে। বিমান চলাচল, মেডিকেল ইভাকুয়েশন ও প্রকৌশল কাজে বাহিনীগুলোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। কঙ্গোতে বাংলাদেশি একটি অ্যাভিয়েশন ইউনিট সৈন্য, সরঞ্জাম ও হতাহত পরিবহনে ৩৯,০০০ ঘণ্টার বেশি দুর্ঘটনামুক্ত উড্ডয়ন পরিচালনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন কমায় শান্তিরক্ষা থেকে আয় ও প্রশিক্ষণের সুযোগ অনিশ্চিত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটির মতে, বাংলাদেশ জনবল, বন্দর ও পূর্ব ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চলাচলের সুবিধা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের বাজার দিতে পারে। বিনিময়ে আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্যবিনিময়, যৌথ উৎপাদন, ড্রোন ও অস্ত্র হস্তান্তরের সুবিধা এবং সৌদি আরবে কর্মরত প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশির জন্য শ্রমিক কোটা, মজুরি সুরক্ষা ও ভিসার নিশ্চয়তা চাওয়া উচিত।