দেশের চামড়া শিল্পকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনতে ট্যানারি খাত সংস্কার, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন নিশ্চিতের সমন্বিত পরিকল্পনা করছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এক নীতি সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, তবে বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দীর্ঘদিন বিনিয়োগ করেও যাঁরা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী বা সক্ষম নন, তাঁদের জন্য ‘গ্রেসফুল এক্সিট’-এর সুযোগ তৈরির কথা জানান মন্ত্রী। এতে নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জায়গা তৈরি হবে। ট্যানারি ব্যবসায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও তিনি বলেন। দেশে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে জুতা, ব্যাগ ও উচ্চমূল্যের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড গড়াই লক্ষ্য।
সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের জন্য নতুন বিশ্বমানের CETP নির্মাণ ও বিদ্যমানটি সংস্কারের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। ২৫ হাজার ঘনমিটার প্রকল্পিত সক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে কার্যকরভাবে ১৪ থেকে ১৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য শোধন হচ্ছে। বড় ট্যানারির নিজস্ব ইটিপি বাধ্যতামূলক হবে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে সাভারে দক্ষতা ও ডিজাইন উন্নয়ন কেন্দ্র চালুর লক্ষ্য রয়েছে।