পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকায় বালুর নিচে লুকিয়ে থাকা কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ এখন পর্যটকদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন হাজারো পর্যটক সমুদ্রে গোসল করতে নামলেও জোয়ারের সময় পানির নিচে থাকা ভাঙা পিলার, গাইডওয়াল ও জংধরা রডের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্ঘটনা ঘটলেও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, এমনকি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়নি।
২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ ও ২০০৯ সালের ‘আইলা’র আঘাতে সৈকতসংলগ্ন এলজিইডির বাংলোসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়। এসব স্থাপনার কংক্রিট অংশ এখনো সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রায় দেড় বছর আগে এক পর্যটক কংক্রিটের আঘাতে প্রাণ হারান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীরা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।