রোববার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে গুম-খুন, ভোট চুরি ও গণহত্যার বৈধতা দেওয়া সাংবাদিক নামধারীদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। তিনি জানতে চান, এসব সাংবাদিক ও মিডিয়া হাউসের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী জবাবে বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ যদি গণতন্ত্রবিরোধী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়াসহ কিছু গণমাধ্যম আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করছে এবং অতীতে সহিংসতা ও ভোট চুরির বৈধতা দিয়েছে। তিনি এসব সাংবাদিকদের পুনর্বাসনের আইনগত ভিত্তি জানতে চান। নোয়াখালী-২ আসনের সরকারি দলীয় এমপি জয়নুল আবদিন ফারুকও আংশিক একমত হয়ে বলেন, অনেক অযোগ্য ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী জানান, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন মোকাবিলায় একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে এবং শিগগিরই এর কার্যক্রম ঘোষণা করা হবে।