বাংলাদেশে জলাতঙ্ক টিকার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীরা টিকা না পেয়ে বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকার থেকে র্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (আরআইজি) টিকার সরবরাহ বন্ধ থাকায় সীমিত মজুত রেশনিং করে দেওয়া হচ্ছে। যাদের আর্থিক সামর্থ্য আছে তাদের নিজ খরচে টিকা কিনতে বলা হচ্ছে। ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে টিকা থাকলেও শহরের বাইরে সংকট আরও প্রকট।
এই ঘাটতি শুধু জলাতঙ্ক টিকায় সীমাবদ্ধ নয়। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)–এর অধীনে থাকা একাধিক টিকার মজুতও শেষ হয়ে গেছে। ইপিআই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে ‘বাফার স্টক’ নেই, যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ছয় মাসের টিকা মজুত রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বাফার স্টক না থাকলে হামের মতো অন্যান্য রোগের মহামারি দেখা দিতে পারে।
সংকটের পেছনে ২০২৫ সালে সরকার কর্তৃক স্বাস্থ্যখাতের পাঁচ বছর মেয়াদি অপারেশন প্ল্যান (ওপি) বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। বিকল্প পরিকল্পনা না থাকায় টিকা কেনাকাটা ও পরিবহন ব্যাহত হয়েছে এবং কর্মীদের বেতনও বন্ধ রয়েছে।