ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপকে যাচাইযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির দিকে পরিচালিত করা উচিত বলে উৎসটিতে মত দেওয়া হয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চাপ ও সামরিক হুমকি বাড়লেও কূটনৈতিক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ৯ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বোর্ড অব গভর্নরস ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বিস্তার রোধসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাঠায়; দুই দশকে এটি প্রথম এমন পদক্ষেপ।
এর এক দিন পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাতাঞ্জের কাছে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এলাকায় ইরানের নতুন তৎপরতা নিয়ে সতর্ক করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সব পথ থেকে দূরে রাখা। তবে উৎসটির মতে, সামরিক হামলায় স্থাপনা ধ্বংস ও কর্মসূচি সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হলেও প্রযুক্তিগত জ্ঞান, রাজনৈতিক কারণ বা ভবিষ্যৎ সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঘিরেও কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। ওমান হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কয়েকটি ব্রিকস দেশ রাজনৈতিক সমাধান এবং সংযমের আহ্বান জানিয়েছে। উৎসটিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইযোগ্য সমঝোতা পর্যবেক্ষণ, নিয়ম ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার কাঠামো তৈরি করে আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে পারে।