হুথিদের ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবির পর আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে এবং সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেন। এর আগে সৌদি শহরগুলোতে হুথি হামলা এবং বাব-এল-মান্দেব এলাকায় তাদের অগ্রগতির খবর আসে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মঙ্গলবারের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চারটি সৌদি শহরে ৭৩ জন আহত হন এবং কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগে। শুক্রবার হুথিরা পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করে। ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, যোদ্ধারা ধুবাব ও কাছের কয়েকটি দ্বীপে পৌঁছেছে। একই সময়ে হরমুজ ও বাব-এল-মান্দেব প্রণালির ওপর চাপের আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলার ছাড়ায়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানকে সৌদি বার্তা পাঠানো বা ইয়েমেনে হুথি অবস্থানে হামলার অনুরোধ পাওয়ার খবর নাকচ করেছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসলামাবাদ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপ ও কূটনীতি চালিয়ে যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি এবং ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের যোগাযোগের মধ্যে পাকিস্তান কৌশলগত দ্বিধায় রয়েছে।