বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘ব্যাংক রেজুলেশন বিল, ২০২৬’, যা পূর্বের অধ্যাদেশ বাতিল করে ব্যাংক বিপর্যয়ের জন্য দায়ীদের পুনরায় মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। নতুন আইনে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আগের শেয়ারহোল্ডাররা, বিশেষ করে এস আলম ও নাসা গ্রুপ, পুনরায় মালিকানা নিতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা ফেরত দেওয়া, নতুন মূলধন যোগান এবং আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধের অঙ্গীকার করতে হবে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক যাচাই-বাছাই শেষে সরকারের অনুমোদন নিয়ে মালিকানা হস্তান্তর করবে। আগের মালিকদের প্রথমে সরকারের বিনিয়োগের ৭.৫ শতাংশ জমা দিতে হবে এবং বাকি অর্থ দুই বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। পুনর্গঠিত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম দুই বছর বাংলাদেশ ব্যাংক তদারকি করবে।
অর্থনীতিবিদ ও বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা বিলটির সমালোচনা করে বলেছেন, এটি দায়ীদের পুরস্কৃত করছে এবং আমানতকারীদের অর্থ ঝুঁকিতে ফেলবে। তবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিলটির লক্ষ্য আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।