নেতৃত্ব ও অর্থায়ন নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং পার্লামেন্টের স্ট্যান্ডার্ডস কমিশনারের তদন্ত চললেও ব্রিটেনের রাজনীতিতে রিফর্ম ইউকেকে ঘিরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ক্রিস্টোফার হারবর্ন ও বেন ডেলোর কাছ থেকে দলটি মোট ৩ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডের দুটি অনুদান পেয়েছে। এসব অনুদানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অর্থের একটি অংশ প্রায় ৪০০ ফিল্ড এজেন্টের পেছনে ব্যয় হচ্ছে।
২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা সংকট মানুষের অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জীবনযাত্রার ব্যয়, যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগকে রিফর্ম ইউকে এবং কনজারভেটিভ পার্টি রাজনৈতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তুলে ধরছে। অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের পেছনে কম মজুরিতে কর্মী নিয়োগ, চাকরির শর্ত এবং ছোট নৌকায় আগমনের বিষয়ও রয়েছে।
জুলাইয়ের ওএনএস তথ্য অনুযায়ী, ৮৮ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয়কে, ৭৮ শতাংশ এনএইচএসকে এবং ৭০ শতাংশ অর্থনীতিকে প্রধান সমস্যা বলেছেন। সরকার ডার্বিতে তৈরি নতুন ট্রেনের বহরে ১ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে; এতে ৩৫০টির বেশি সরাসরি ও সরবরাহব্যবস্থায় প্রায় ৬ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে জানানো হয়েছে।