ইরানের জ্বালানি খাতে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ দেশটির তেলবাহী আটটি ট্যাংকার এবং সহযোগী ১০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ পদক্ষেপের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসন বলেছে, ইরানের তেল বাণিজ্য ও গোপন নৌবহর থেকে রাজস্ব প্রবাহ বন্ধ করাই এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য। ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি তাদের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তেল বিক্রির অর্থ দিয়ে তেহরান অস্ত্র তৈরি এবং আঞ্চলিক মিত্র বা প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করে আসছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আন্তর্জাতিক নৌপথে বিঘ্ন ঘটছে এবং বিশ্ববাজারে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতেই নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসে।