আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার আব্দুল নাসির উদ্দিন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অষ্টম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী নাসির বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট টঙ্গীর চেরাগ আলী থেকে বন্ধু সামিদসহ কয়েকজন লং মার্চ টু ঢাকার উদ্দেশে বের হন। দুপুর ২টার দিকে উত্তরা বিএনএস এলাকায় পৌঁছালে উত্তরা পূর্ব থানার দিক থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের এলোপাতাড়ি গুলিতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
নাসিরের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে তিনি উত্তরা কুয়েতমৈত্রী হাসপাতালে যান। সেখানে আইসিইউতে গুলিবিদ্ধ সামিদকে পান। তিনি বলেন, সামিদের কপালে লাগা গুলি মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত ছিলেন। সামিদের বাবাকে ফোন করার পর তিনি হাসপাতালে এসে ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখেন। রাত ৮টার দিকে হাসপাতাল থেকে লাশ ময়মনসিংহের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।
সাক্ষী আরও দাবি করেন, ১৮ জুলাই থেকে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল এবং ৫ আগস্ট সকালেও ইন্টারনেট ছিল না। তাঁর জবানবন্দিতে শেখ হাসিনার নির্দেশে উত্তরা এলাকায় গুলি করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যার অভিযোগ করা হয়; নিহতদের মধ্যে সামিদ, সানজিদ, জসিম ও সোহেলের নাম উল্লেখ করেন তিনি। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।