Web Analytics
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর ইরান তার দীর্ঘদিনের 'কৌশলগত ধৈর্য' নীতি পরিত্যাগ করেছে। লেবানন, ইরাক, ইয়েমেন ও সিরিয়ায় হামলার পাশাপাশি এই আক্রমণ ইরানকে তার নতুন 'সক্রিয় ও নজিরবিহীন প্রতিরোধ' নীতি প্রদর্শনে প্ররোচিত করে। কয়েক দিনের মধ্যেই ইরান কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, জর্ডান, ইসরায়েল ও সাইপ্রাসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যা আঞ্চলিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যায়।

বছরের পর বছর ইরান হিজবুল্লাহ, হুথি, হামাস ও পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের মতো মিত্রদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত প্রতিরোধ বজায় রেখেছিল। কিন্তু হামাস ও হিজবুল্লাহ নেতাদের ওপর ইসরায়েলি হামলা, সিরিয়ার আল-আসাদ সরকারের পতন এবং ২০২৫ সালের ১২ দিনের যুদ্ধ ইরানের প্রতিরোধ কাঠামো দুর্বল করে দেয়। ২০২৪ সালে দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেট ধ্বংস হওয়া ছিল এই নীতির প্রথম বড় ভাঙন।

সাম্প্রতিক উত্তেজনায় কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোও জড়িয়ে পড়েছে, যা তাদের ভারসাম্য রক্ষার কৌশলের ভঙ্গুরতা প্রকাশ করেছে। বাহরাইন ও ইরাকে বিক্ষোভ এবং ইরানের বিরুদ্ধে কুর্দি বাহিনীকে উৎসাহিত করার খবর আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।