হরমুজ যৌথ কমিটির প্রথম বৈঠকের পর ইরান ও ওমান প্রণালিতে টোল আদায় বিষয়ে সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছেছে। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, ওমান সার্বভৌম উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে এই ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে সমর্থন জানিয়েছে এবং প্রদত্ত সেবার বিনিময়ে ফি নেওয়া উচিত বলে মনে করে। দুই দেশের মধ্যে একটি কারিগরি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা সাত থেকে আট দিনের মধ্যে খসড়া তৈরি ও নৌযান চলাচলের রুট নিয়ে আলোচনা করবে।
এই প্রণালির ভবিষ্যৎ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় বিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন সেবা মাশুল আরোপ করতে চায়, কিন্তু ওয়াশিংটন যেকোনো ধরনের মাশুল আদায়ের বিরোধিতা করছে। সম্প্রতি দুই দেশ জানিয়েছিল, তারা প্রণালি ব্যবস্থাপনার খরচ পরীক্ষা করছে।
পরে ওমান জানায়, কোনো চলাচল মাশুল নেওয়ার পরিকল্পনা নেই এবং জাতিসংঘ-সমন্বিত একটি সাময়িক নৌ করিডোর চালু করে। এর জবাবে ইরান ওই রুট ব্যবহারকারী জাহাজে হামলা চালায় এবং জানায়, কেবল তাদের উপকূল বরাবর রুটই অনুমোদিত।