ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মতামতধর্মী এই লেখায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। লেখক বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাস্তববাদী, ভারসাম্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
লেখাটিতে জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির গ্যারান্টি ও সালিশি ধারার কথা বলা হয়েছে। সার্কের ধারণাকে বহুপক্ষীয় কৌশল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখক বাণিজ্য, ট্রানজিট ও উজানের নদীর পানি প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন এবং কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও জীবিকায় ক্ষতির দাবি করেছেন। এসব বক্তব্য লেখকের দাবি; লেখাটিতে স্বাধীন প্রমাণ বা সূত্র উল্লেখ নেই।
লেখক শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এবং ভারতকে ঘিরে অতীতের রাজনৈতিক ঘটনা, নির্বাচন ও কর্তৃত্ববাদের বিষয়ে বিস্তৃত অভিযোগও করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর প্রত্যাশিত সংস্কার এখনও পূর্ণ হয়নি। তিনি দ্রুত রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নেওয়া এবং ফ্যাসিবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ না রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।