ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ঘোষণা করেছে, দেশের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যথাসময়ে শাস্তির মুখোমুখি হবে। খামেনির জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতির মধ্যেই এই ঘোষণা আসে। বুধবার এক বিবৃতিতে পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর বলেন, শহীদ নেতার মুষ্টিবদ্ধ হাত ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতির এক স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাবেক কমান্ডার জোলকাদর গত ২৪ মার্চ পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় তৎকালীন সচিব আলী লারিজানি নিহত হওয়ার পর। তিনি বলেন, খামেনি ও অন্যান্য শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া এখনো বাকি এবং হত্যাকারী ও নির্দেশদাতারা শিগগিরই ন্যায্য শাস্তি পাবে।
পৃথক এক বিবৃতিতে ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল এই হত্যাকাণ্ডকে জাতির মনোবল ভাঙার উদ্দেশ্যে সংঘটিত জঘন্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে। তারা খামেনির জানাজাকে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার দৃঢ়তার ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক মোড় হিসেবে বর্ণনা করে এবং জনগণকে ব্যাপকভাবে জানাজায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়।