ইরানের প্রয়াত ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত খামেনি ও অন্যান্যদের প্রতি বিদেশি অতিথি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। শুক্রবার ভোরে তাদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেওয়া হয়, যেখানে দুই দিন ধরে সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
প্রথম বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা ছিলেন। ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নিয়েছেন। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি ইতিমধ্যে তেহরানে পৌঁছেছেন। প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহতদের পরিবার ও খামেনির কার্যালয়ের কর্মীদের আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। ইরানি কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, দাফন অনুষ্ঠানে এক থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।