Web Analytics
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রায় সাত হাজার একর উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন হরিণ, বানর, শৃগাল, বুনো হাঁস ও নানা প্রজাতির পাখির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। বাঁশবাড়িয়া, মুরাদপুর ও সৈয়দপুর ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় বিস্তৃত এই বন স্থানীয়দের কাছে ‘দ্বিতীয় সুন্দরবন’ নামে পরিচিত, যদিও এখানে বাঘ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ভোর বা বিকেলে বনের কিনারায় একা কিংবা দলবদ্ধ হরিণ দেখা যায়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আগে হরিণ শিকারের ঘটনা ঘটলেও কয়েকজন শিকারির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সম্প্রতি একজন কারাভোগ করেছেন। বন্যপ্রাণী রক্ষায় বিট কর্মকর্তারা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন এবং নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় ও পরিবেশসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবৈধ প্রবেশ, গাছ কাটা, বর্জ্য ফেলা, দখল, স্থাপনা নির্মাণ এবং শিল্পায়নের বিস্তার বন ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। তারা নিয়মিত বৈজ্ঞানিক জরিপ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ পরিকল্পনার দাবি জানিয়েছেন। বন বিভাগ বলছে, পুরো এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি কঠিন; তাই শিকার, দখল ও পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের তথ্য দ্রুত জানাতে স্থানীয়দের সহযোগিতা প্রয়োজন।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।