ইউক্রেন রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি বড় তেল টার্মিনালে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একে রাশিয়ার যুদ্ধ ব্যয় নির্বাহের অবকাঠামো হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইউক্রেন আরও দাবি করেছে, ক্রনস্টাডে রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে। গভর্নর আলেকসান্দর বেগলভ হামলার সত্যতা স্বীকার করলেও হতাহতের ঘটনা অস্বীকার করেছেন। বিবিসি তেল টার্মিনালে আঘাতের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
কিয়েভের দাবি, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তেল শোধন সক্ষমতার প্রায় ৪৩ শতাংশ অকার্যকর হয়েছে, যদিও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করে দেশীয় সরবরাহ বাড়াতে একটি আইনে স্বাক্ষর করেছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ৫০০টিরও বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে এবং ইউক্রেনের হামলাকে মনোযোগ সরানোর প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে।
আগামী সপ্তাহে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের আগে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে। রাশিয়া পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আর পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গঠনমূলক সম্পর্কের আহ্বান জানিয়েছেন।