প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি একেবারে খারাপ নয়। তিনি জানান, পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সরবরাহ কেবল সামান্য কমেছে। ২০২৫ সালের মার্চে ডিজেল সরবরাহ ছিল ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮ মেট্রিক টন, যা ২০২৬ সালের মার্চে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫১২ মেট্রিক টনে। অকটেনের সরবরাহ সামান্য বেড়ে ৩৭ হাজার ৪৩৯ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে, আর পেট্রোলের সরবরাহ কমে হয়েছে ৩৯ হাজার ৯৯৮ মেট্রিক টন।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে আতঙ্কে কেনাকাটা ও অবৈধ মজুতের প্রবণতা কাজ করছে। এপ্রিল মাসে অবৈধ মজুতবিরোধী ৭৪টি অভিযান চালিয়ে ১১৪টি মামলা হয়েছে এবং ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এপ্রিলের ৬ তারিখ পর্যন্ত মজুত ছিল ডিজেল ১ লাখ ১৪ হাজার ১২২ মেট্রিক টন, অকটেন ১০ হাজার ১৫১ মেট্রিক টন ও পেট্রোল ১৩ হাজার ৮০৫ মেট্রিক টন।
ডা. রহমান জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের বড় অঙ্কের ভর্তুকি এখনো বহাল রয়েছে, যার পরিমাণ ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, ফলে আর্থিক চাপ অব্যাহত রয়েছে।